Sunday, 8 November 2020

বিদায় সংবর্ধনা


 


ডুমুরিয়া এনজিসি এ্যান্ড এনসিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী

বাবু রঞ্জন কুমার জোদ্দার এর  অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে

দু’টি কথা

Saturday, 10 October 2020

আশি দিনে বিশ্বভ্রমণ-জুল ভার্ন

 


বাগ্মী হিসেবে দুনিয়াজোড়া নাম কিনেছিলেন শেরিডান। আঠারো শতকের প্রথম ভাগে যে-বাড়িটিতে তিনি পরলোকগমন করেন, আঠারো শতকের শেষভাগে সেই বাড়িটিতেই বসবাস করতেন রিফর্ম ক্লাবের সদস্য ফিলিয়াস ফগ। ফগের টাকাকড়ির কোন অভাব নেই। কিন্তু কিভাবে সে-টাকা তাঁর কাছে আসে সে এক বিরাট রহস্য। সবাই তাঁকে রিফর্ম ক্লাবের সদস্য হিসেবেই জানে, কাজকর্ম কিছু কখনও কেউ তাকে করতে দেখেনি। খুব কম কথা বলেন ফগ। কম খরচ করেন। তার সংযম সম্পর্কে লোকের মুখে শুধু প্রশংসাই শোনা যায়। তিনি যে কৃপণ তাও নয়, কেননা প্রচুর পরিমাণে দান করতে দেখা যায় তাঁকে। বিলাসিতা একেবারেই পছন্দ করেন না। কিন্তু ফিলিয়াস ফগ সম্পর্কে সবচেয়ে বড় কথা যেটা তা হলো, ঘড়ির কাটা ধরে দৈনন্দিন কাজকর্ম চলে তার, সময়ের এক সেকেন্ড এদিক ওদিক হবার যো নেই।

Wednesday, 30 September 2020

চাকরির আবেদনপত্র লেখার নিয়ম / নমুনা


তারিখঃ ০১/১০/২০২০ খ্রি.

বরাবর

নির্বাহী পরিচালক

জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন

৪৬ মুজিব সড়ক, যশোর-৭৪০০।

 

Sunday, 27 September 2020

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহালয়া (চন্ডীপাঠ)


মহিষাসুরমর্দিনী

রচনা – বাণীকুমার

গ্রন্থণা ও শ্লোকপাঠ – বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র

সঙ্গীত পরিচালনা – পঙ্কজ কুমার মল্লিক

 

Thursday, 17 September 2020

অন্য জীবনের স্বাদ-সুনীল গঙ্গোপাধ্যয়

 


সাদামাটা স্কুল শিক্ষক দীনেশের একমাত্র ছেলে জহর। একটা জল বিশুদ্ধকরণ মেশিন তৈরির কোম্পানীর এক্সপার্ট টেকনিশিয়ান। কোন বাসায় তাদের কোম্পানীর মেশিনে বিশেষ কোন সমস্যা দেখা দিলে জহরকে সেখানে পাঠানো হয়। সামান্য উপার্জনে দুই সন্তান আর বাবাকে নিয়ে কোনরকমে চলে যায় তাদের। দিনশেষে অফিস থেকে ফিরে জহর সাধারণত টিভিতে সিরিয়াল দেখতে বসে যায়। স্ত্রী শান্তা দুই ছেলে-মেয়েকে সামলে সংসারের রান্না-বান্না ও অন্যান্য কাজ নিয়েই পড়ে থাকে।

Tuesday, 15 September 2020

ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গী


আমি একবার চাকরীর ইন্টারভিউতে চতুর প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলাম এরপর থেকে আমি এটা ভুলতে পারিনি

প্রশ্নটা এমন ছিল, মনে করুন- এক ঝড়ের দিনে আপনি আপনার গাড়ী ড্রাইভিং করছেন আপনি একটি বাস স্টপ অতিক্রম করার সময় দেখলেন সেখানে ৩ জন লোক দাঁড়িয়ে আছে প্রথমজন একজন সুন্দরী নারী যাকে আপনি মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন এবং সারা জীবনের জন্য কাছে পেতে চান দ্বিতীয়জন আপনার খুব পুরোনো এক বন্ধু যে একবার আপনার জীবন বাঁচিয়েছিল এবং তৃতীয়জন এক বৃদ্ধা মহিলা যাকে খুব অসুস্থ্য দেখাচ্ছিল আপনার গাড়িতে মাত্র একজনকেই বসতে দেওয়া সম্ভব

দরিদ্র কৃষক ও তার বিচক্ষণ মেয়ে



এক গ্রামে এক দরিদ্র কৃষক এবং তার মেয়ে বাস করতেন ঐ গ্রামে এক খারাপ লোক বাস করতেন খারাপ লোকটি চড়া সুদে টাকা ধার দিতেন এবং টাকা ফেরত না দিতে পারলে তার সর্বস্ব কেড়ে নিতেন দরিদ্র কৃষক একবার ঐ লোকটির কাছ থকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন এবং ফেরত দিতে পারলেন না এমতবস্থায় খারাপ লোকটি এক চতুর উপায় অবলম্বন করে টাকার বিনিময়ে কৃষকের মেয়েটিকে কব্জা করতে চাইলেন খারাপ লোকটি নিজেকে উদার প্রমাণ করতে গ্রামের সবাইকে নিয়ে নদীর তীরে গিয়ে বললেন যে তার হাতে থাকা থলিটার মধ্যে তিনি সাদা এবং কালো রঙের দুটি পাথর রাখবেন মেয়েটির ভাগ্য পরীক্ষার নিমিত্তে থলি থেকে একটি পাথর উঠাবেন মেয়েটি যদি সাদা পাথার উঠায় তাহলে তিনি মেয়েটিকে ছেড়ে দেবেন এবং টাকাও মওকূপ করে দিবেন কিন্তু মেয়েটি যদি কালো পাথর উঠায় তাহলে টাকার বিনিময় হিসাবে তাকে বিয়ে করতে হবে এবং এটাকে ভাগ্য বলেই মেয়েটিকে মেনে নিতে হবে পরীক্ষা শুরু হলে খারাপ লোকটি কৌশলে থলিটির ভিতর দুটোই কালো রঙের পাথর রেখে দিলেন কিন্তু মেয়েটি যথেষ্ট চালাক ছিল এবং সে এটা বুঝে গেল এবার বলুন আপনি যদি মেয়েটির জায়গায় থাকতেন তাহলে কি করতেন?

টেনিদা-নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যয়

 

টেনিদা-বাংলা সাহিত্যে হাস্যরসাত্বক চরিত্রগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে অন্যতম। খাঁড়ার মত নাকওয়ালা টেনিদা আর তার চার বন্ধু (বন্ধু না বলে অবশ্য চ্যালা বললেই মানায় ভাল) পটলডাঙ্গার প্যালারাম, ঢাকাইয়া হাবুল সেন এবং পড়াশুনায় দারুণ ভালো ক্যাবলাকে নিয়েই টেনিদার প্রায় প্রতিটি গল্প।

Monday, 24 August 2020

বিকেলের মৃত্যু-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয়


এটি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয়ের একটি থ্রিলার। 

লীনা চাকরি করে একটি বিখ্যাত কোম্পানীর ইলেকট্রনিক্স বিজ্ঞানী ববি রায়ের এ্যাসিসটেন্ট হিসেবে। লোকটাকে তার বিশেষ একটা পছন্দ নয়। একদিন ববি রায় তাকে তার রুমে ডাকে এবং কিছু অদ্ভুত আচরণ শুরু করে। লীনা প্রচন্ড বিরক্ত, বিস্মিত এবং অবাক হয়। 

Sunday, 16 August 2020

গুহা মানব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয়

 


কাহিনীর বৈচিত্রতা এবং চমৎকার উপস্থাপন দক্ষতার কারণে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয় আমার প্রিয় লেখকদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। বিশেষ করে তার লেখা শিশুতোষ উপন্যাসগুলি (অদ্ভুতুড়ে সিরিজ) আমার খুব প্রিয়। এই কাহিনীগুলো আমার কাছে নির্মল বিনোদন। গুহা মানব উপন্যাসটি পড়ার পর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যয়ের প্রতি ভালোলাগা আরো গভীর হয়েছে। যদিও এটি একটি ছোট উপন্যাস এবং অনেকের কাছেই গল্পটা খুব সাধারণ মনে হতে পারে কিন্তু আমার কাছে উপন্যাসটি একটি লেখকের একটা বিশেষ দক্ষতার পরিচয় বলেই মনে হয়েছে।

Saturday, 15 August 2020

গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


“গোরা” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। শুধু বিখ্যাত না বলে বলা যায় এটাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। এমন ভাব গাম্ভীর্যপূর্ণ উপন্যাসের সাথে তুলনা করার মত আর কোন উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে বিরল। উপন্যাসটি প্রবাসী পত্রিকা ১৯০৭ থেকে ১৯০৯ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এবং ১৯১০ সালে পুস্তকাকারে প্রাকাশিত হয়। উপন্যাসটির বিষবস্তু ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে সংঘটিত ব্রাহ্মসমাজ আন্দোলন, সামাজিক অধিকার, দেশপ্রেম ও নারীমুক্তি। 

Saturday, 8 August 2020

মুকেশ আম্বানি ও পূজা চৌহান

মুকেশ আম্বানী

২০১৬ সালে পূজা চৌহান নামে এক সুন্দরী তরুণী অনলাইন ফোরামে ধনী স্বামী চেয়ে একটি পোস্ট লিখেছিলেন। পোস্টটি পড়ে উত্তর দিয়েছিলেন স্বয়ং ধনকুবের মুকেশ আম্বানি। মুকেশ আম্বানির সেই উত্তর সেই সময়ে ইন্টারনেট জগতে ভাইরাল হয়ে যায়। কি ছিল পূজার সেই পোস্টে? চলুন দেখে আসা যাক।

Thursday, 11 June 2020

থিওরি অব রিলেটিভিটি-মুহম্মদ জাফর ইকবাল


প্রিয় শিক্ষার্থী কেমন আছ তোমরা? নিশ্চয়ই ঘরে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ছ দিন দিন। সত্যিই তো সারাদিন তো আর টিভি দেখে, ভিডিও গেমস খেলে কাটানো যায় না, তাই না? জানো তো, আমরাও ভালো নেই। অনেকদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ তোমাদের পদচারণায় মুখরিত হয় না, তোমাদের না দেখতে পেলা আমরা কিভাবে ভালো থাকি বলো। করোনা’র এই মহামারিতে আমরা কেউই ভালো নেই। তবুও তো জীবন থেমে থাকবে না, চলতে আমাদের হবেই।

Friday, 5 June 2020

চলো দিকশূন্যপুর-সুনীল গঙ্গোপাধ্যয়



সম্প্রতি নীললোহিতের প্রেমে পড়েছি। হিমু পড়ে যেমন অনুভূতি হয়েছিল, প্রত্যেক মানুষের ভিতরে একজন হিমু ঘুমিয়ে আছে, নীললোহিত পড়েও তেমনি মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে প্রতিদিনের এই যান্ত্রিক নিয়মের বাঁধ ভেঙ্গে হয়ে যাই নীললোহিত। কিন্তু বাস্তবে আমাদের পক্ষে হিমুও হওয়া সম্ভব নয়, নীললোহিতও হওয়া সম্ভব নয়। তবে একটা কাজ অবশ্যই হতে পারে, বইয়ের ভিতর ডুব দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য হিমু বা নীলের সাথে মিশে যাওয়া। সেটাই করছি। গতকাল শেষ করলাম “চলো দিকশূন্যপুর”।

Saturday, 23 May 2020

ক্ষুধা এবং ভালোবাসার গল্প-আনিসুল হক



দীর্ঘ পাঁচমাস পর ঈদকে সামনে রেখে বাড়ি ফিরছে আবুল হোসেন, স্ত্রীর জন্য শাড়ি, ছেলেমেয়েদের জন্য খেলনা নিয়ে। উত্তরবঙ্গের ব্রহ্মপুত্রের চরে তার বাড়ি। কিন্তু রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম আর নানান প্রতিকূলতায় শেষ পর্যন্ত রাস্তাতেই ঈদের নামাজ পড়তে হয় তাকে। উৎকন্ঠা আর উদ্বেগে অশান্ত হয়ে ওঠে আবুল হোসেনের মন, বাড়ি ফিরে সবাইকে জীবিত দেখতে পাবে কি সে? না-কি না খেতে পেয়ে ধুকে ধুকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে তার হৃদয়ের পুত্তলিগুলো?

শুন বরনারী এবং হুমায়ুন আহমেদের হিমু

শুন বরনারী-সুবোধ ঘোষ

‘হিমু’ হুমায়ুন আহমেদের একটি কালজী সৃষ্টি। হিমুর অদ্ভুত জীবনদর্শন, নানারকম খামখেয়ালীপনা এবং নাটকীয় কার্যকলাপে প্রত্যেক পাঠকই মুগ্ধ হন। তবে ‘হিমু’ চরিত্রটিকে সম্পূর্ণ মৌলিক বলা যায় না, বিশেষ করে নামটির ব্যপারে তো নয়ই। হুমায়ুন আহমেদ নিজের আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন ‘হিমু’ নামটি তিনি নিয়েছিলেন কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষের “শুন বরনারী” উপন্যাসের একটি চরিত্র থেকে। হুমায়ুন আহমেদের লেখা থেকেই আমি প্রথম সুবোধ ঘোষের নাম জানতে পারি এবং ‘শুন বরনারী’ উপন্যাসটি পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি হয়।

Monday, 18 May 2020

ফেলুদা-সত্যজিৎ রায়

ফেলুদা ও তপসে

গোয়েন্দা গল্প কার না ভালো লাগে? শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রায় প্রত্যেক বয়সের সাহিত্যপ্রেমী মানুষের কাছেই রহস্য-রোমাঞ্চ গল্প/উপন্যাসের জনপ্রিয়তা রয়েছে। নাটকীয়ভাবে আমার প্রথম গোয়েন্দা গল্প পড়া শুরু হয় স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের ‘শার্লক হোমস’ কে দিয়ে। স্কুলের লাইব্রেরি থেকে ‘শার্লক হোমস সমগ্র’র প্রথম গল্পটি পড়েই ভাল লেগেছিল হোমস আর ওয়াটসনকে। এরপর সত্যজিত রায়ের অমর সৃষ্টি ফেলুদা। তারপর একে একে ব্যোমকেশ, কিরীটী, মাসুদ রানা, অর্জুন, ঋজুদা ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে নিঃসন্দেহে এদের সবার মধ্যে সবচেয়ে বেশী ভালোলাগা নায়কের নাম ‘ফেলুদা’। ফেলুদার প্রায় প্রতিটি গল্পই একাধিকবার পড়েছি এবং হয়তো আগামী দিনগুলোতেও পড়ব। ‘ফেলুদা’কে নিয়েই আজকের আয়োজন।

Wednesday, 13 May 2020

তিনটি প্রশ্ন-লিও টলস্টয়

লিও টলস্টয়

এই গল্পটিতে লিও টলস্টয়ের গভীর দার্শনিক চিন্তাভাবনা প্রতিফলিত হয়েছে। গল্পটি আমরা সঠিকভাবে উপলব্দি করতে পারলে আমাদের জীবনের অনেক জটিল সমস্যার অবসান হবে এবং পৃথিবীটা হয়ে উঠবে স্বার্থক ও সুন্দর। 

আমার প্রিয় শখ


ভূমিকা: এ পৃথিবীতে প্রত্যেক লোককে জীবিকা অর্জন করতে হয়। ব্যয় করতে হয় প্রচুর পরিশ্রম। এ জীবিকা অর্জনের জন্যে যে কাজ করতে হয় তার ফাঁকে ফাঁকে মনকে বিকশিত করার জন্যে কিছু একটা করতে ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা জাগে। এ ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষাকে শখ বলে। তাই প্রত্যেক মানুষের মন ও স্বাস্থ্যকে সুন্দর ও সুস্থ রাখার জন্যে কোনো না কোনো শখ হয়। জীবিকা অর্জনের জন্যে একটানা কাজ করতে করতে একসময় জীবনটাই নিরানন্দ হয়ে যায়। কিন্তু শখের কাজ করলে নিরানন্দের মধ্যে আনন্দ ও নতুন উৎসাহ পাওয়া যায় 

আমার জীবনের লক্ষ্য


ভূমিকা: মানুষ আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকে। শৈশব-কৈশোরে মনের মধ্যে যেসব স্বপ্নের বীজ প্রোথিত হয়, তার সবই জীবনে বাস্তবায়িত হয় না। সকলের জীবনেই সমানভাবে সাফল্য আসে না; কারও জীবন কানায় কানায় পূর্ণতা পায় আর কারও জীবনে কো স্বপ্ন-আশা-আকাঙ্ক্ষার আংশিক প্রতিফলন ঘটে। তারপরও প্রত্যেক মানুষেরই নিজের জীবন সম্পর্কে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকা দরকার। সমুদ্রের বিশাল জলরাশির মধ্যে নাবিক যেমন ধ্রুব-নক্ষত্রকে লক্ষ্য করে উত্তাল জলরাশি পাড়ি দেয়; তেমনি মানবজীবনের শৈশবেই লক্ষ্য স্থির করে নিয়ে জীবন নামের এ মহাসমুদ্র পাড়ি দিতে হয়। প্রত্যেক মানুষের উচিত শৈশবেই নিজের জীবনের লক্ষ্য স্থির করে নিয়ে সংসার-সমুদ্র পাড়ি দেয়া।